porno

şanlıurfa otogar araç kiralama

bakırköy escort

অনলাইনে পড়তে হলে ছাড়তে হবে দেশ, ট্রাম্প সরকারের সিদ্ধান্তে বিতর্ক বিশ্ব জুড়ে - Prohor

অনলাইনে পড়তে হলে ছাড়তে হবে দেশ, ট্রাম্প সরকারের সিদ্ধান্তে বিতর্ক বিশ্ব জুড়ে

উচশিক্ষা ও গবেষণার জন্য নিজের দেশ ছেড়ে আমেরিকায় এসেছেন তাঁরা। লক্ষ্য, আরও ভালো কিছু করার। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অন্যান্যদের মতো অনলাইনেই ক্লাস করছিলেন তাঁরা। আর তাতেই নারাজ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প! আমেরিকায় পাঠরত বিদেশি পড়ুয়াদের নিয়ে কঠোর অবস্থান নিল তাঁর সরকার। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী বলা হচ্ছে, ওই পড়ুয়াদের অনলাইন ক্লাস করতে হলে আমেরিকা ছাড়তে হবে! নিজের দেশে গিয়ে পড়াশোনা করতে হবে! এমন সিদ্ধান্তের জেরেই আবারও বিতর্কের ঝড় উঠেছে বিশ্ব জুড়ে।

করোনা পরিস্থিতি তো বটেই, এর আগেও বহু সিদ্ধান্তের জন্য সমালোচিত হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তাতে থোড়াই কেয়ার! নিজের অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকেননি তিনি। এবারও একই ঘটনা ঘটালেন। করোনার জেরে আমেরিকার পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সবচেয়ে ভয়ংকর অবস্থার মুখে দাঁড়িয়ে দিশেহারা সেখানকার মানুষ। স্বাভাবিকভাবেই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ও বন্ধ। পড়াশোনার জন্য অনলাইন ব্যবস্থাকেই বেছে নিয়েছেন তাঁরা। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে সেটাই স্বাভাবিক। পড়ুয়ারা ঘরে বসে নিজেদের পড়া করে নিচ্ছে। কোনোভাবেই যাতে পড়াশোনার ব্যাঘাত না ঘটে, সেই কথাই মাথায় রাখা হচ্ছে। 

এমন পরিস্থিতিতে সেই অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থার ওপরই ‘দৃষ্টি’ পড়ল ট্রাম্পের। আরও ভালো করে বললে বিদেশি পড়ুয়াদের ওপর। সম্প্রতি নির্দেশ জারি করে বলা হয়, এফ-১ এবং এম-১ ভিসাধারী বিদেশি পড়ুয়া যারা অনলাইন ক্লাস করছেন, তাঁদের অবিলম্বে দেশে ফিরে যেতে হবে। নয়তো অনলাইনে পড়া বন্ধ করতে হবে। নিজের দেশে ফিরে অনলাইনে পড়তেই পারেন তাঁরা; কিন্তু আমেরিকায় থেকে সেটা করা যাবে না! নচেৎ তাঁদের ভিসা বাতিল করা হবে! শুধু তাই নয়, এই ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যাতে খুলে যায়, সেই দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে। তখন এই ভিসাধারী বিদেশি পড়ুয়াদের সেখানে গিয়ে ক্লাস করতে হবে। কিন্তু কোনোভাবেই অনলাইনে পড়াশোনা করা যাবে না! 

এমন ‘তুঘলকি’ সিদ্ধান্তের প্রবল বিরোধিতা করেছে আমেরিকার শিক্ষামহল। বিতর্ক ছড়িয়েছে বাইরেও। এটা তো শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এই পড়ুয়াদের। অনলাইনে পড়লে সমস্যাটা কোথায়? এর আগেও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এইচ-১বি ভিসার ক্ষেত্রেও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন ট্রাম্প। তাতে বিপদে পড়েছিলেন বহু চাকুরিজীবী। অবশ্য তাতে পাত্তা দেওয়ার বান্দাই নন ট্রাম্প! তিনি নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিয়েই চলেছেন। যার সুদূর পরিণতির কথা নিশ্চয়ই ভেবে দেখেন না… 

Powered by Froala Editor

More From Author See More

Latest News See More